মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত - মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করবেন যেভাবে

পোল্যান্ড কাজের বেতন কতপ্রিয় পাঠক, আপনি নিশ্চই মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত অথবা মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন কিভাবে করবেন সেই সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহি। তাইতো আপনি আজকের এই আর্টিকেলে পৌঁছেছেন। তাহলে আপনি এখন একদম সঠিক জায়গাতেও রয়েছেন। কেননা আজকের এই আর্টকেলে আমরা মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এবং মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন কিভাবে করবেন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। তাই জানার জন্য অবশ্যই শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
আপনি যদি আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকেন তাহলে মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো হবে, মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয়, মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত, মালয়েশিয়া টাকার রেট কত? মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন কিভাবে করবেন সেই সম্পর্কে জানতে পারবেন।

প্রজ সূচিপত্রঃ

ভূমিকা

বাংলাদেশ থেকে বাহিরের দেশে কাজ করার উদ্দেশ্যে আমাদের দেশের প্রবাসী মলয়েশিয়া যান। আপনি যেহেতু বাহিরের দেশে মালয়েশিয়াতে যাচ্ছেন তাই অবশ্যই আপনাকে জানা উচিত মালয়েশিয়াতে কাজ করার জন্য যাওয়ার ক্ষেত্রে কত টাকা খরচ হবে। এছাড়াও সেখানে গিয়ে কি কি কাজ আপনাকে করতে হবে। কত টাকা বেতন হবে কাজের ক্ষেত্রে সেই সকল বিষয়গুলো একটি দেশে যাওয়ার পূর্বেই সম্পূর্ণ জেনে নেওয়া উচিত হবে।
মালয়েশিয়া আপনি বিভিন্ন কাজের জন্য অথবা স্টুডেন্ট হিসেবে স্কলারশিপ নিয়েও যেতে পারবেন। এছাড়াও এই দেশে অনেকেই ঘুরতে যান। তো আবার অনেকেই পড়ার জন্য আবার চিকিৎসার জন্যও গিয়ে থাকেন। এর এই জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওপরে ভিত্তি করে ভিসা নির্ধারণ করা রয়েছে। যার জন্য এই সকল ভিসার দাম আলাদা আলাদা ধরণের হয়ে থাকে। আপনি এই সকল ভিসা নেওয়ার মাধ্যমে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।

মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত

আমরা যারা মালয়েশিয়া যেতে চাই তাদের জন্য অবশ্যই মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত সেই সম্পর্কে জানা উচিত হবে। যার জন্য আমরা সকলেই মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ভিসার ব্যাবস্থা করে থাকি অনেক টকার বিনিময়ে। যেটা সরকারি ভিসায় গেলে অনেক কম টাকায় যাওয়া সম্ভব। মলয়েশিয়ান ভিসা সাধারণত সেই দেশের কম্পানি ইস্যু করে থাকে। আর সেই ভিসার জন্য অনেক মানুষজন সেটা টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে থাকে।
মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত
আপনি যদি আকজন প্রবাসী হিসেবে মালয়েশিয়াতে যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রথমে সেই ভিসার আসল দাম কত সেটা জেনে নেওয়া উচিত। আপনি যদি প্রবাস জীবন গ্রহণের জন্য মলয়েশিয়া যেতে চান তাহলে চলুন এখন আমরা মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ভিসার দাম কেমন সেই সম্পর্কে জেনে নেই।

আপনি যদি বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বেসরকারিভাবে মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে গুনতে হবে ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। মালয়েশিয়াতে কৃষি কাজের জন্য যে ভিসা বরাদ্দ রয়েছে কৃষি ভিসা। সেটির দাম হচ্ছে ৪ লক্ষ টাকা। আর বিভিন্ন ফ্যাক্টরির ভিসার দাম হচ্ছে ৫ লক্ষ্য টাকা।

আর আপনি যদি সরকারি ভিসাতে যাওয়ার সুযোগ পান বা যেতে পারেন তাহলে আপনার খরচ হবে মাত্র ৭৮ হাজার ৯০০ টাকা। যেই টাকা অন্য সকল ভিসার থেকে অনেক কম। আশা করছি এতক্ষণে আপনি উক্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন।

মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো

মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এটি তো আমরা সকলেই জেনেছি। এখন আমাদের জানতে হবে মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো হবে সেই সম্পর্কে। আপনি যদি মালয়েশিয়াতে যতে চান তখন দেখবেন আপনার জন্য কিছু ভিসা বরাদ্দ করা রয়েছে। সেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দ মতো ভিসাটি বেছে নিতে পারবেন। যেইটা আপনার জন্য প্রয়োজন। মালয়েশিয়াতে যাওয়ার জন্য যেসকল ভিসা রয়েছে সেগুলো হলোঃ
  • স্টুডেন্ট ভিসা
  • ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
  • মেডিকেল ভিসা
  • বিজনেস ভিসা এবং
  • ট্যুরিস্ট ভিসা
  • কলিং ভিসা
এখান থেকে আপনি আপনার জন্য প্রয়জনীয় ভিসাটি বেছে নিতে পারবেন। তবে আপনি যদি সেই দেশে কাজের উদ্দেশ্যে যান তাহলে আপনার জন্য সবথেকে ভালো হবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। এই ভিসার জন্য আপনি সেখানে গিয়ে কাজ করতে পারবেন। সেখানে কাজের অনেক সুযোগ রয়েছে।

এই ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আপনি সেখানে গিয়ে সাথে সাথে যেকোন কোম্পানি বা কোন একটি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কাজ করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি এই ভিসায় সেখানে গেলে একটি ভালো বেতনের কাজের পাশাপাশি সেখানে গিয়ে অনেক দীর্ঘমেয়াদে থাকতেও পারবেন।

মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন

মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এটি জানার পরেই আমাদের জানতে ইচ্ছে হয় মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন কিভাবে করবো সেই সম্পর্কে। আজকের এই আর্টিকেলে এখন আমরা এই বিষয়েই তুলে ধরবো। তাই সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন। এখন বাংলাদেশ ডিজিটাল করণের জন্য এখন প্রায় সকল কাজ অনলাইনেই করা হয়ে থাকে। এখন যদি আপনি মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ভিসা পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে BMET ডাটাবেজে আবেদন করতে হবে। তারপর আপনি আপনার অর্জিত দক্ষতা অনুযায়ি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন
আপনি যদি উক্ত এই বিষয় সম্পর্কে অবগত না হয়ে থাকেন তাহলে চলুন এখনই আমরা বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই। তাতে করে আপনি ও অনেক উপকৃত হবেন। মালয়েশিয়ান ভিসার জন্য অনলাইনে সাধারণত ৩টি উপায়ে আবেদন করতে পারা যায়। সেগুলি হলোঃ
  • মালয়েশিয়া ই-ভিসা
  • বিএমইটি কার্যালয় থেকে
  • আমি প্রবাসী অ্যাপ এর মাধ্যমে
এই পর্যায়ে আমরা জানতে পারলাম মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য কত রকম পর্যায়ে আবেদন করা যায়। এখন চলুন সে সকল বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

মালয়েশিয়া ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াঃ বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়াতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, টুরিস্ট ভিসা ও অন্যান্য সকল ভিসার জন্য এই পদ্ধুতিতে আবেদ করা যায়। এই প্রক্রিয়ায় আবেদন করার জন্য প্রথমে https://www.imi.gov.my/ এই লিংকে ভিজিট করুন।

এরপর আপনার প্রয়োজনিয় কাজের ধরণ অনুযায়ী আপনার জন্য প্রযোজ্য ভিসার আবেদন ফরম ডাউনলোড করে নিন। এরপর সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে নিয়ে সেটির সাথে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ পূর্বক ভিসা ফি পরিশোধ করার মাধ্যমে আপনার সংশ্লিষ্ট ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিএমইটি কার্যালয় থেকে আবেদন প্রক্রিয়াঃ বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাতে প্রায় ৪২ টি বিএমইটি কার্যালয় রয়েছে। এছাড়াও আরো বিভিন্ন ১১টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে চাইলে আপনি আবেদন করতে পারবেন। বিএমইটি কার্যালয় থেকে ভিসার জন্য আবেদন করার জন্য আপনার যেসকল জিনিসের প্রয়োজন হবে।
  • আপনার একটি পাসপোর্ট
  • সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • আপনার কাজের দক্ষতাভিত্তিক সনদ
এই সকল তথ্যাবলি নিয়ে আপনাকে বিএমইটি কার্যালয়ে গিয়ে সেখান থেকে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এটি সেখানকার অফিসের কর্মীদের সাথে কথা বলে তাদেরকে দিয়ে আবেধল করিয়ে নিতে হবে। এর পরবর্তিতে যদি আপনার আবেদন গ্রহণ করা হয় তাহলে আপনাকে বিএমইটি এর ডাটাবেইজ থেকে অথবা আপনার মোবাইল ফোসে এসএমএস অথবা ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
আমি প্রবাসী অ্যাপ এর মাধ্যমে আবেদন করার প্রক্রিয়াঃ এই মোবাইল অ্যাপটি প্রবাসীদের ভিসার জন্য এবং বিভিন্ন ধরণের সেবা প্রদানের জন্য সরকার অনুমোদিত একটি অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া নিম্নে আলোচনা করা হলো।
  • সর্বপ্রথম আমি প্রবাসী মোবাইল অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন। তারপর সেটি ওপেন করুন।
  • তারপর আপনাকে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হবে। তার জন্য আপনি আপনার পাসপোর্ট স্ক্যান করুন। এবং তার পাশাপাশি যেই সকল তথ্য চাইবে সেই সকল তথ্য প্রদান করুন।
  • এরপর আপনার কাছে থেকে ৭২ ঘন্টা সময় নেওয়া হবে। এই সময়টাতে মূলত আপনার প্রদত্ত সকল তথ্য যাচাই করে দেখা হবে। তথ্য যাচাই করা হয়ে গেলে বিকাশের মাধ্যমে ৩০০ টাকা ফি পরিশোধ করার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।
  • এবার আপনি আমি প্রবাসী অ্যাপ লগ ইন করে নিন। লগ ইন করার পরে আপনি সেখানের মেইন পেজে বিএমইটির রেজিস্ট্রেশনের পাশে "চাকরি খুঁজুন" নামে একটি অপশান পাবেন। সেখানে প্রবেশ করার পরে আপনি সেখানে বিভিন্ন চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখতে পাবেন।
  • সেখানে আপনার যেটি পছন্দের চাকরি সেখানে বিস্তারিত দেখে আপনার যদি পছন্দ হয় সি চাকরিটি তারপর আপনি সেখানের আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করলে আপনার সেই চাকরির জন্য আপনার আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে যাবে।
এরপর যদি কতৃপক্ষ আপনার আবেদন গ্রহণ করে তাহলে আমি প্রবাসী অ্যাপের ভেতরে যে মেসেজের ইনবক্স রয়েছে সেইখান থেকে জানতে পারবেন। যার জন্য অবশ্যই আপনাকে প্রতিদিন মেসেজের অপশান চেক করতে হবে। আর এইভাবেই আপনি মালয়েশিয়াতে চাকরির জন্য আবেদন করার মাধ্যমে অনেক কম খরচে সরকারি ভাবে সেখানে যেতে পারবেন।

মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয়

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পারলাম মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এবং মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন কিভাবে করতে হয় সেই সম্পর্কে। এছাড়াও মালয়েশিয়া থেকে কোন কোন ভিসা দেওয়া হয় সেইটা জানতে পারলাম। এখন অনেক ভাই আমাদের প্রশ্ন করে থাকেন মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয়। এই সম্পর্কে আমরা এখন জানতে পারবো।
মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয়
মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয় সেই সম্পর্কে জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কোন ভিসায় কেমন খরচ হয়। বিভিন্ন ধরণের ভিসার জন্য বিভিন্ন ধরণের ফি পরিশোধ করতে হয়। তাহলে চলুন এখন কোন ভিসার জন্য কেমন খরচ প্রদান করতে হয় সেটা জেনে নেই চলুন।
  • এমপ্লয়মেন্ট ভিসার প্রসেসিং খরচ ২০০ আরএম।
  • বিজনেস ভিসার প্রসেসিং খরচ বাংলাদেশি টাকায় ৬০০০ - ৭০০০ টাকা।
  • মেডিকেল ভিসার প্রসেসিং খরচ বাংলাদেশি টাকায় ৬০০০ - ৭০০০ টাকা।
  • এন্ট্রি ভিসার প্রসেসিং খরচ ১৯৯৯ আইএনআর
এই সকল খরচ শুধু ভিসা প্রসেসিং করার জন্য খরচ হয়। এই সকল খরচের বাইরেউ অরো অনেক ভিসা করতে গেলে আরো অনেক খরচ হয়। যেইগুলি সম্পর্কে আপনারা সকলেই নিশ্চই জানেন। আপনি এই সকল খরচ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রদান করতে পারেন। এছাড়াও আপনি সেই সকল খরচ আপনি অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করতে পারেন।

মালয়েশিয়া টাকার রেট কত?

মালয়েশিয়ার টাকাকে কি নামে বলা হয় সেই সম্পর্কে হয়তো আপনারা অনেকেই জনোনা। আপনি যদি না জেনে থাকেন চলুন তাহলে এখন আমরা জেনে নেই। মালয়েশিয়ান টাকাকে রিংগিত বলে। যেমনভাবে বাংলাদেশের মুদ্রাতে টাকা বলা হয়। আমরা সকলেই জানি যে, পুরা দেশের ভেতরে সব থেকে মুদ্রার মান হিসেবে এগিয়ে রয়েছে পাউন্ড।
মালয়েশিয়ার টাকার রেট সম্পর্কে আমরা প্রায় অনেকেই জানতে চাই। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না। আপনি যদি জেনে না থাকেন তাহলে চলুন এখনই জেনে নেই আমরা। বর্তমানে মালয়েশিয়াতে টাকার রেট বাংলাদেশি টাকায় ২৩.৭৬ টাকা যা মালয়েশিয়ান টাকায় ১ রিংগিত এর সমতুল্ল্য। সুতরাং মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত সমান বাংলাদেশি ২৩.৭৬ টাকা।

মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত সেই সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্নঃ ১ রিংগিত কত টাকা?
উত্তরঃ ১ রিংগিত বাংলাদেশি ২৩.৭৬ টাকা।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়া ১০০ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা?
উত্তরঃ মালয়েশিয়া ১০০ টাকা বাংলাদেশের ২৩৭৬.০৯ টাকা।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়া ১৫০০ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা?
উত্তরঃ মালয়েশিয়া ১৫০০ টাকা বাংলাদেশের ৩৫,৬৪০ টাকা।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয়?
উত্তরঃ আপনি মলয়েশিয়ার ভিসা ফি ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, JOMPAY বা যেকোনো AmBank শাখায় গিয়ে নগদ অর্থের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার ভিসা ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে ২০২৩
উত্তরঃ মালয়েশিয়ার ভিসা ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন বর্তমানে এই ভিসা চালু রয়েছে।

লেখকের মন্তব্য

মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এবং মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন কিভাবে করবেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত সকল কিছু আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। আশা করছি আপনি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার মাধ্যমে উক্ত সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন। যদি আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথেই শেয়ার করতে ভুলবেন না। এই রকম তথ্য বহুল আর্টিকেল প্রতিদিন নিয়োমিত পড়ার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। আর সবার আগে আমাদের সকল নতুন পোস্টের নোটিফিকেশান পেতে গুগল নিউজ ফলো করে রাখুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পেপারস্পট২৪ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url