গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়

সিজারের পর ইনফেকশনের লক্ষণপ্রিয় পাঠক, আপনি কি গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় সেই সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সঠিক তথ্য জানতে পারছেন না? তাহলে আপনি এখন একদম সঠিক জায়গাতেই রয়েছেন। কেননা আজকের সম্পূর্ণ আর্টিকেলে আমরা গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাই আপনি যদি এই সম্পর্কে জানতে চান তাহলে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়
আপনি যদি আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকেন তাহলে প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ, গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ এবং বাসায় বসে প্রেগনেন্সি টেস্ট করবেন কিভাবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। 

পেজ সূচিপত্রঃ

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়

মেয়েরা গর্ভধারণ করবে তারা মা হবে এটাই একজন মেয়ের কাছে সবথেকে আনন্দের বিষয়। তবে গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় সেই সম্পর্কে অনেক মেয়েরাই জানেন না। এছাড়াও প্রথমবার যারা মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণ করতে চাচ্ছেন তাদেরকে এই বিষয়ে আরো বেশি করে ভালোভাবে জানা প্রয়োজোন। তাই আপনি যদি নতুন মা হতে চেয়ে থাকেন তাহলে আপনার এই বিষয়ে জানা প্রয়জন। তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নেই।
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ প্রথম অবস্থায় বোঝা যায় না। একজন মেয়ে সেই সময়েই বুঝতে পারে যে তারা গর্ভবতী হবে যখন তাদের পিরিয়ড মিস হয়ে যায়। তাছাড়া এমন অনেক দেখা যায় বর্তমানে যেকোনো প্রকারের পিরিয়ড মিস না হয়েও অনেক মেয়েই গর্ভবতী হয়েছেন। সকলের শরীর যেহেতু আলাদা ধরনের তাই সবার ক্ষেত্রে একই উপসর্গ দেখা দেয় না।

যদি কোন মেয়ে সন্তান সম্ভাবনা হয়ে থাকেন তাহলে সে বুঝতে পারে প্রথম ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে। আর এই সময়ে এই গর্ভবতী হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়। যদি কোন মেয়ে গর্ভধারণ করে থাকেন তাহলে কাজ করে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। সেই সকল শারীরিক পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া, মাথা ঘোরা, শরীর অত্যন্ত দুর্বল হওয়া, স্তনে চাপ দিলে ব্যাথা অনুভুত হওয়া ইত্যাদি।

আবার যে সকল মেয়েরা নতুন গর্ভধারণ করে থাকে তাদের অনেকেরই ক্ষেত্রে সাদাস্রাবের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাছাড়া তারা তাদের পেট অনেকটা ফাঁকা অনুভূত করে। এই সময় তারা এমন অনুভব করে যেমনটা তাদের পিরিয়ডের সময় তলপেটে ব্যথা দেয়। যে নারী প্রথম গর্ভধারণ করে

আবার যে সকল মেয়েরা নতুন গর্ভধারণ করে থাকে তাদের অনেকেরই ক্ষেত্রে সাদাস্রাবের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাছাড়া তারা তাদের পেট অনেকটা ফাঁকা অনুভূত করে। এই সময় তারা এমন অনুভব করে যেমনটা তাদের পিরিয়ডের সময় তলপেটে ব্যথা দেয়। যে নারী প্রথম গর্ভধারণ করে তার গর্ভকাল সেই সময় থেকে শুরু হয় যখন তার সর্বশেষ পিরিয়ড হয়। তবে আদৌ বাচ্চা কনসিভ হয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষা করার জন্য প্রেগনেন্সি কিট ব্যবহার করতে পারেন অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে শিওর হতে পারেন।

প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ

যে সকল মেয়েরা প্রথমবার বাচ্চা ধারণ করতে চান কিন্তু তারা বুঝে উঠতে পারেন না আসলেই তার বাচ্চা কনসিভ হয়েছে কিনা। যদি আপনার বাচ্চা কনসিভ হয়ে থাকে তাহলে এক্ষেত্রে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। আপনি যদি এমন লক্ষণগুলো আপনার ভেতরেও দেখতে পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনার আসলেই বাচ্চা কনসিভ হয়েছে। তাহলে করুন এখন আমরা জেনে নেই প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণগুলো সম্পর্কে।

গর্ভবতি হওয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে
  • মাসিক মিস হওয়া
  • ঘন ঘন প্রস্রাব
  • মাথা ব্যথা করা
  • বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া
  • শরীর দুর্বলতা
  • মেজাজ খিটখিটে হওয়া
  • খাবারে প্রতি অনীহা
  • স্তনের পরিবর্তন হয়
  • হাল্কা রক্তপাত
নিম্নে এই সকল লক্ষণগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করা হলো। আশা করছি আপনার বুজতে অনেক সুবিধা হবে।

মাসিক মিস হওয়াঃ একজন মেয়ে যদি সন্তান সম্ভাবনা হয় তাহলে তার সবার প্রথমে যে লক্ষণটি দেখা যায় সেটি হল মাসিক মিস হওয়া। যেদিন আপনার মাসিক মিস হবে সেদিনই আপনি বুঝতে পারবেন আপনি সন্তান সম্ভাবনা হয়েছেন কিনা। তবে এমন অনেকে রয়েছেন যাদের শরীরে প্রস্রাবের হরমোনের ঘাটতি অনেকটাই থাকে। যার কারণে তাকে সন্তান সম্ভাবনা হওয়ার পরেও সাথে সাথে বুঝে উঠতে পারে না। তাই যেদিন আপনার মাসিক মিস হবে তার কিছুদিনের মধ্যেই আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত হবে।

ঘন ঘন প্রস্রাবঃ গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় তার আরো একটি প্রধান লক্ষণ হল ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া। আর এই ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারণ হলো যখন কোন মেয়ে গর্ভবতী হয় তখন তার শরীরে হরমোনের পরিবর্তন হয়ে থাকে। আর এই হরমোনের পরিবর্তনের কারণে শরীরের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। আর এই জন্যই এই সময়ে ও তাদের পরিমাণে প্রসবের বেগ পায়। এই সমস্যাটি যখন একজন মেয়ে গর্ভধারণ করবে তার ছয় সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ পাবে।

মাথা ব্যথা করাঃ যখন একজন মেয়ে গর্ভধারণ করে তখন তার মাথায় অনেকটাই ব্যথা করে। আর এই ব্যাথা হয়ে থাকে মূলত শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে। যখন একজন মেয়ে গর্ভধারণ করবে তার প্রথম সপ্তাহ থেকে খুব বেশি পরিমাণে মাথা ব্যথা শুরু হতে পারে। তবে এটি বেশিদিন স্থায়ী হয় না।

বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়াঃ একজন মেয়ে যখন সন্তান সম্ভাবনা হয় তখন তার বমি বমি ভাব অথবা বমি হবে এটাই স্বাভাবিক। আর এই লক্ষণের সাথে আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত। তবে এই লক্ষণটি একজন মেয়ে সন্তান সম্ভাবনা হওয়ার এক মাসের পূর্বে দেখা দেয় না। তবে কিছু কিছু মেয়েদের বেলায় এই বিষয়ে ভিন্নতাও দেখা দেয়। এমন অনেক মেয়েরাই রয়েছেন যাদের সন্তান সম্ভাবনা হওয়ার ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যেই লক্ষণ প্রকাশ পায়।

শরীর দুর্বলতাঃ যখন একজন মেয়ে সন্তান সম্ভাবনা হয় তখন তার শরীর অনেকটাই দুর্বল হয়ে যায়। এই সময়ে তার কাছে আচমকা অনেক বেশি ক্লান্ত মনে হয়। যার জন্য এই সময়ে এরপরই অনেক দুর্বলতা মনে হয় এবং প্রচন্ড পরিমাণে ঘুম হয়। আর এটির কারণ হলো প্রজেস্টেরন হরমোন। একটি মেয়ে যখন গর্ভধারণ করে তখন অত্যাধিক পরিমাণে প্রজেস্টেরন হরমোন চলাচল করার কারণে সন্তান সম্ভাবনা মেয়ে নিজেকে অনেক বেশি ক্লান্ত মনে করে। যার জন্য অত্যাধিক পরিমাণে ঘুম হয়।

মেজাজ খিটখিটে হওয়াঃ যে সকল মহিলারা গর্ভধারণ করে তাদের মেজাজ খিটখিটে থাকাটা স্বাভাবিক। এর কারণ হলো মেয়েদের শরীরে হরমোন বদল হয়। আর যার কারণে ব্রেনের নিউরোট্রান্সমিটার পরিমাণের পরিবর্তন হয়ে যায়। আর এজন্যই একজন সন্তান সম্ভাবনা মেয়ের মেজাজ কিছুটা পরিমাণে খিটখিটে থাকে। এমন কোন কিছু দেখা দিলে অতিরিক্ত চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই।

খাবারে প্রতি অনীহাঃ একজন মেয়ে সন্তান সম্ভাবনা হওয়ার শুরুর দিকে খাবারের অনিহা করবে এটাই স্বাভাবিক। এই সময় তার সামনে যত ধরনের খাবারে দেওয়া হোক না কেন সে তার যতই পছন্দের খাবার হোক তবুও এই সময়ে তার কোন কিছুতেই স্বাদ লাগবে না। তবে এই সমস্যা দেখা দিলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। এটি হলো মূলত শরীরের ইস্ট্রোজেনের সমস্যা।
স্তনের পরিবর্তন হয়ঃ গর্ভধারণের সময় একজন মেয়ের শরীরে যেহেতু অনেকগুলো লক্ষণ প্রকাশ পায় তার মধ্যে একটি হল এই স্তনের পরিবর্তন হওয়া। এই পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে স্তনের অত্যাধিক পরিমাণে ফুলে যাওয়া এবং ব্যথা করা। যেটি একজন মেয়ের পিরিয়ড পূর্ববর্তী সময়ে হয়ে থাকে। তবে ব্যথাযুক্ত অবস্থা খুব একটা বেশিদিন স্থায়ী থাকে না। খুব দ্রুতই সেরে যায়।

হাল্কা রক্তপাতঃ গর্ভধারণের সময় একজন মেয়ের হালকা রক্তপাত হতে পারে। তবে এটি সর্বোচ্চ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রকাশ পায়। তবে এটি সবথেকে বেশি প্রকাশ পায় গর্ভধারণ অবস্থায় পিরিয়ড হলে। আর এটি হলো একজন মেয়ের গর্ভধারণের সর্বশেষ লক্ষণ।

গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় এবং কোন কোন লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় আমরা সকলেই ইতিপূর্বে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছি। এখন এই পাঠের মধ্যে আমরা গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ কোনগুলো প্রকাশ পায় সেই সম্পর্কে জানবো। কেননা প্রথমবার গর্ভধারণ করা একজন মেয়ের এই সম্পর্কে জেনে রাখা প্রয়োজন।
গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ
প্রত্যেকটি নারী জীবনেই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং আনন্দের মুহুর্ত হলো গর্ভধারণের মুহুর্ত। আর এই গর্ভধারণের সময়ে প্রথম সপ্তাহে একজন মেয়ের বেশকিছু উপসর্গ দেখা দেয়। তবে সকলের ক্ষেত্রে যে একই ধরণের লক্ষণ প্রকাশ পাবে বিষয়টি এমন নয়। তবে কিছু কিছু ১ম সপ্তাহের লক্ষণ রয়েছে যেগুলো প্রায় সকলের মাঝেই প্রকাশ পায়। সেগুলো হলো
  • পিরিয়ডের সময়ে যেমন ধরণের হালকা ধরণের রক্তপাত হয়ে থাকে ঠিক তেমনি প্রথম ৬ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত হালকা রক্তপাত হতে পারে। যদি আপনার মধ্যে এমন লক্ষণ প্রকাশ পায় তাহলে অবশ্যই প্রেগন্যান্সি পরীক্ষা করে যাচাই করে নেবেন।
  • মুখে অথবা হাত-পায়ে কালো কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে যেতে পারে।
  • যখন একজন মেয়ে গর্ভবতী হয় তখন তার ত্বকের সংবেদনশীলতা আরো অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়ে যায়।
  • যখন একজন মেয়ে গর্ভধারণ করে তখন তার মাথায় অত্যাধিক পরিমাণে যন্ত্রণা হতে পারে। আর এমন অবস্থা যখন একজন মেয়ের গর্ভধারণ করে তার প্রথমে শুরু হতে পারে।
  • প্রথম সাপ্তাহ থেকে খাবারের স্বাদ উঠে যাবে। আগের মতো খাবার আর তেমন একটা স্বাদ পাবে না।
  • অনেক সময় মুখে দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। আর এমনটি হয়ে থাকে গর্ব অবস্থায় শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে।
  • প্রস্রাবের বেগ অনেকটাই বেশি বৃদ্ধি পেয়ে যায়। এর কারণ হলো শরীরের ভেতরে থাকার তরল উপাদান অনেক বেশি পরিমাণে শরীর উৎপাদন করে।যার কারণে কিডনি দ্বিগুণ গতিতে কাজ করতে থাকে।
  • গর্ভধারণের সময় একজন মেয়ে তাকে অতিরিক্ত ক্লান্ত বোধ করে। হাড়ের কারণ হলো শরীর থেকে পুষ্টি শরীরের ভেতরে থাকা বাড়ন্ত শিশু গ্রহণ করে।
উপরের উল্লেখিত এই সকল লক্ষণগুলোই ছিলো গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ। আশা করছি আপনি সম্পূর্ণ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। এরপরেও যদি আপনার কোন কিছু জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট করার মাধ্যমে জানাবেন।

বাসায় বসে প্রেগনেন্সি টেস্ট

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় এই সম্পর্কে জেনেও যদি আপনি বাসায় বসে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে চান তবে কিভাবে করবে চলুন এই সম্পর্কে এবার আমরা জেনে নেই। আপনি যদি বাসায় বসে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে চান তাহলে সবার প্রথমেই আপনার কাজ হবে আপনার কাছেই কোন ফার্মেসি থেকে টেস্টকিট সংগ্রহ করা। এই সকল কিটগুলো হলো প্রস্রাবের প্রেগনেন্সি হরমোন টেস্ট করার মাধ্যমে প্রেগনেন্সির হরমোনে উপস্থিতি সনাক্ত করে থাকে।

কিভাবে টেস্টকিট ব্যাবহার করে প্রেগনেন্সি টেস্ট করবেন চলুন সেটা জানি।
  • এর জন্য সবার প্রথমে উচিত হবে টেস্টকিট এর গায়ের সকল নির্দেশনাগুলো ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে।
  • উল্লেখিত নিয়ম অনুসারে যখন মাসিক মিস হবে সেই সময় থেকে অন্তত কমপক্ষে ১ সপ্তাহ পরে পরীক্ষা করতে হবে।
  • যদি পরিক্ষা করার পরে দেখেন নেতিবাচক ফল আসেনি তাহলে আপনি চাইলে আবার পুনরায় পরীক্ষা করতে পারেন।
  • যদি আপনি নেতিবাচক ফলাফল পেতে চান তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারকে দিয়ে অথবা স্বাস্থ্যকর্মির সাথে কথা বলার মাধ্যমে রক্ত পরীক্ষার করে সঠিক তথ্য জানতে হবে।

গর্ভবতী হওয়ার সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্নঃ গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়?
উত্তরঃ যখন একজন মেয়ে গর্ভবতি হয় তখন থেকে প্রায় ৪ থেকে ৬ সাপ্তাহের মধ্যে গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

প্রশ্নঃ গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণ কি?
উত্তরঃ গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে
  • হালকা রক্তপাত হওয়া
  • খাবারের স্বাদ উঠে যাওয়া
  • হাতে পায়ে কালো কালশিটে দাগ পরা
  • মাথা ব্যাথা করা
  • শরীর অত্যাধিক ক্লান্ত হয়ে আসা
প্রশ্নঃ বাচ্চা পেটে আসার কত দিন পর এর লক্ষণ দেখা যায়?
উত্তরঃ যখন বাচ্চা পেটে আসে তখন থেকে প্রায় ৬ থেকে ৪১ দিনের মধ্যে এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। তবে কিছু মহিলারা আবার গর্ভধারণ করার ২ থেকে ৩ সাপ্তাহের মধ্যেই লক্ষণগুলো বুঝতে পারেন।

শেষ কথা

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় সেই সম্পর্কে আজকের আমাদের এই আর্টিকেলের প্রধান আলোচনার বিষয় ছিলো। আশা করছি আপনি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার মাধ্যমে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন। যদি আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করার মাধ্যমে তাদেরকেও জানার সুযোগ করে দিন। এমনই আরো তথ্যবহুল আর্টিকেল প্রতিদিন পড়ার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পেপারস্পট২৪ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url